রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতার অভিযোগে চার ছাত্রের সিট বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে তাঁদের এক বহিরাগতসহ পুলিশে সোপর্দ করার পর ১৫ দিনের কারাদণ্ডও দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজন কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্বরত ছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২২ এপ্রিল রাতে, যখন ৩৫তম ব্যাচের ছাত্র শাহরিয়ার পলককে এক বহিরাগতসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আরিয়ান শাহ রাব্বি, মহিবুর রহমান নয়ন ও আহসানুল ইসলাম চৌধুরীর সম্পৃক্ততা সামনে আসে। পরদিন ২৩ এপ্রিল জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অভিযুক্ত চার শিক্ষার্থীর ছাত্রাবাসের সিট সাময়িকভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, আটককৃতদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সাথে তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও সমকামিতায় প্ররোচিত করতেন এবং হোস্টেলের ছাত্রদের ছবি তুলে বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করতেন। এমনকি একজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ যৌন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, অভিযুক্তরা ইতোমধ্যে তাঁদের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কার করা হলেও তাঁদের ছাত্রত্ব এখনই বাতিল করা হয়নি। তবে একজন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অতীতে একই কারণে অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হওয়ার তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।







