বাংলাদেশের মাটি কোনোভাবেই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হোক অথবা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীরা নাক গলাক—কোনোটাই বর্তমান সরকার চায় না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।
আঞ্চলিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে চিফ হুইপ প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশে কি সে হারে মন্দির ভাঙা হয়?’ এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে ভারত ঠিক কীভাবে নিয়েছে, তা দেশটির বর্তমান কর্মকাণ্ড ও কূটনৈতিক আচরণের দিকে নজর দিলেই সবাই খুব সহজে বুঝতে পারবে।
নতুন অর্থ বছরের বাজেট নিয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সরকারের দেওয়া এই বাজেটকে বিরোধী দলও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তাই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে এই বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নে দল-মত নির্বিশেষে তিনি সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
চিফ হুইপ আরও উল্লেখ করেন যে, ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংশোধনের জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে সরকার এবং বিরোধী দল একসঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। তবে সংবাদ সম্মেলনে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ কবে নাগাদ সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এই সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তিনি এখনো কিছু জানেন না।
তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে ‘দেশ বাঁচানোর প্রকল্প’ হিসেবে আখ্যায়িত করে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও কৃষকেরা যাতে কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় পানি পায় এবং শুষ্ক মৌসুমে সংকটে না পড়ে, সেজন্যই তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।







