সরকারকে দ্রুত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন বলেছেন, গণভোটের রায় নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি জুলাইয়ের শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে এবং ৩৬ জুলাইকে স্মরণীয় করে রাখতে দ্রুত ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে মাগুরার ঐতিহাসিক নোমানী ময়দানে গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই গণমিছিলের আয়োজন করা হয়। পরে মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভায়না মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মোবারক হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শুরু থেকেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে দলটি জনস্বার্থে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে সরকার জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং নিজেদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের পথ রুদ্ধ করেছে। সরকার নিজেদের সংশোধন না করলে জনগণ সময়ের প্রেক্ষাপটে তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মাওলানা সাইদ আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মারুফ কারখীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর আলহাজ আব্দুল মতিন, পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আশরাফুল আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মো. ইব্রাহিম বিশ্বাস, অধ্যাপক ফারুক হুসাইন, ব্যাংকার মো. মাসুদুল আলম, সাবেক ছাত্রনেতা বি এম এরশাদুল্লাহ অহিদ, শিবিরের জেলা সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন এবং অ্যাডভোকেট আজমত হুসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।







