বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম—যাঁকে সম্প্রতি সরকার মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবীতে ভূষিত করেছে—তাঁকে বিভিন্ন সময়ে ‘জঙ্গি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে ‘প্রথম আলো’ ও ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্টাফ রিপোর্টারের নামে বিশেষ গোষ্ঠীর এজেন্ডা ও স্বার্থ বাস্তবায়নে এই দুই পত্রিকা বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য পরিবেশন করেছিল। সেই সময়ের বিভিন্ন পেপার কাটিং ও নিউজ লিংকের প্রমাণ ও তথ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিতর্কিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের হাতে পরিকল্পিতভাবে মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম নিহত হওয়ার পর, সেই ঘটনা ও হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করতে পত্রিকা দুটির ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সংবাদমাধ্যম দুটি সে সময় জাহিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উপস্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপকর্ম ও আখ্যানকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
পরিস্থিতির চরম বৈপরীত্য তুলে ধরে আলোচকেরা বলছেন, যে সম্পাদকদ্বয় একসময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিলেন, তাঁদেরকেই সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রেস মিট ও সংবাদ সম্মেলনে দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি নিয়ে জোর আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে এই দুই পত্রিকার সম্পাদক—মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম—কে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি উঠেছে। দেশবাসীর প্রশ্ন, তৎকালীন সময়ে কাদের প্ররোচনায় এবং কাদের রাজনৈতিক ফরমায়াসে দেশের সেনাবাহিনীর একজন সৎ ও চৌকস কর্মকর্তাকে জঙ্গি তকমা দিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন ছাপানো হয়েছিল, সে সত্য এখন উন্মোচিত হওয়া জরুরি।







