যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়িকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সাম্প্রতিক ঘটনা ও বিতর্ক নিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধানে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনার সময় গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য প্রদানকারী অনেক ব্যক্তিই ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন না; বরং তাঁরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নূরানী মাদরাসার শিক্ষক ও কয়েকটি ইসলামী সংগঠনের কর্মী।
এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, এমপির বাড়ির সামনের একটি মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষকের আহ্বানে বাইরে থেকে আলেম ও শিক্ষকেরা এসে সেখানে জড়ো হন এবং মূল পটভূমি না জেনেই সমালোচনা শুরু করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমপির মেয়ে অনন্যার দীর্ঘদিনের মানসিক অসুস্থতা ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার পর পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়।
সমঝোতার পথ তৈরি হওয়ার পরও জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে পুনরায় হট্টগোল সৃষ্টি করা নিয়ে স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। এদিকে ঘটনা না জেনে ভুল তথ্য দেওয়ার কথা স্বীকার করে মুড়লী নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক হাদিউজ্জামান হাদী গণমাধ্যমের সামনে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল জানান, সব দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে সমান মর্যাদাপূর্ণ। প্রকৃত তথ্য না জেনেই অনেকে মন্তব্য করেছেন উল্লেখ করে স্থানীয় সচেতন মহলও যেকোনো সংবেদনশীল ঘটনায় আবেগ বা গুজবে কান না দিয়ে তথ্যভিত্তিক অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।







