রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের একটি বিয়ের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ১,২৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তাদের মধ্যে রয়েছেন শীর্ষস্থানীয় আলেম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য পেশাজীবী।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ‘মূল্যবোধ আন্দোলন’-এর মুখপাত্র প্রকৌশলী মুহাম্মাদ সাদাত পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আইন ও প্রচলিত সামাজিক রীতিনীতির বাইরে সমলিঙ্গের একটি বিয়ের ঘটনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এতে কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরিত নারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অপর এক পুরুষকে বিয়ে করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান বা বিদ্যমান আইনে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ বা ‘ট্রান্সজেন্ডার নারী’ নামে কোনো পৃথক লিঙ্গের স্বীকৃতি নেই। পাশাপাশি দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, সমকামিতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এতে আরও বলা হয়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে এমন ঘটনা ঘটার পরও এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলিম-অধ্যুষিত বাংলাদেশের জনগণ ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয়ে সংবেদনশীল। তাই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক ছাড়াও শীর্ষস্থানীয় আলেম ও বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মোখতার আহমাদ, মুফতি সাইফুল ইসলাম, শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, আসিফ মাহতাব উৎস, আব্দুল্লাহ আল জাবের, সালাহউদ্দিন আম্মার, সাবেক সচিব নুরুল আলম, অধ্যাপক জুলফিকার হাসান খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানভীর পারভেজ এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাকসুদ হোসেনসহ আরও অনেকে।







