Saturday, October 24, 2026
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভারতীয় দালাল তারকাদের বিষয়ে সতর্ক হোন

মাহমুদুর রহমান

August 12, 2026
A A
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভারতীয় দালাল তারকাদের বিষয়ে সতর্ক হোন

প্রফেসর ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার পররাষ্ট্রনীতিতে যতগুলো সাহসিকতাপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার মধ্যে একটি ছিল ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট দল পাঠাতে অসম্মতি জানানো। আমি সেই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং বিসিবির (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বার্তা পাঠিয়েছিলাম। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বিসিবির বিবাদ শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা পেস বোলার মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বহিষ্কারের চরম নিন্দনীয় সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে।

বলিউড নায়ক শাহরুখ খানের দল কেকেআর (কলকাতা নাইট রাইডার্স) ২০২৫ সালের সিজনে আইপিএলে খেলার জন্য মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে নিলাম-পরবর্তী চুক্তি করেও হিন্দুত্ববাদীদের আন্দোলনের চাপে অত্যন্ত অবমাননাকরভাবে সেই চুক্তি বাতিল করে। চুক্তি বাতিলের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলেছিল, খেলার মাঠে মোস্তাফিজের নিরাপত্তার আশঙ্কা থাকায় বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) আইপিএল কর্তৃপক্ষকে চুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছে।

কেকেআর এবং আইপিএল কর্তৃপক্ষ বিসিসিআইর নির্দেশ অনুযায়ী মোস্তাফিজকে কোনো ক্ষতিপূরণ না দিয়েই বিদায় করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং দেশের সম্মানের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সংগত কারণেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা ভারতের বাইরে কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে স্থানান্তরের অনুরোধ জানালে আইসিসির

(ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) প্রেসিডেন্ট জয় শাহ্, যিনি কি না আবার ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভয়াবহ মুসলিমবিদ্বেষী অমিত শাহের ছেলে, নাকচ করে দেন। দেশের সম্মানকে সর্বাগ্রে স্থান দিয়ে ইউনূস সরকার সেদিন সব মহলের চাপ উপেক্ষা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ভারতে আয়োজিত বিশ্বকাপে খেলতে যেতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রশংসনীয় দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিল। বেশ কিছু ক্রিকেটার সমেত এ দেশের ভারতপন্থিরা যে সেই সিদ্ধান্তে বেজায় অসন্তুষ্ট হয়েছিল, সেটা বলাই বাহুল্য।

শেখ হাসিনার পনেরো বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনে দেশের সব সেক্টরের মতো ক্রীড়াঙ্গনকেও কলুষিত করে ফেলা হয়েছিল। ক্রিকেট খেলোয়াড় কিংবা সংগঠক হিসেবে কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা ছাড়াই আওয়ামী রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপন সে সময় কেবল আত্মীয়তা ও বিশেষ সম্পর্কের সুবাদে ক্রিকেট বোর্ডের সর্বময় কর্তার ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি খেলোয়াড়দের রীতিমতো নির্লজ্জ দলীয় কর্মীতে রূপান্তরিত করেছিলেন। এ কারণেই জুলাই বিপ্লবে আমরা কোনো তথাকথিত তারকা ক্রিকেট খেলোয়াড়কে লড়াকু জনগণের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। বরং তারা সবাই দল বেঁধে শেখ হাসিনার মনোরঞ্জনের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত থেকেছেন।

গণভবনে গিয়ে খানাপিনা করেছেন, সপরিবারে ছবি তুলেছেন এবং খুনি শাসককে কুর্নিশ করে এসেছেন। এদের মধ্যে দেশপ্রেমের এতটাই ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছিল যে, তাদের মধ্যে অনেকেই ইউনূস সরকারের টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্তে বেশ বেজার হয়েছিলেন। অনেকের কাছেই অর্থ এবং বিশ্বকাপের জৌলুস দেশের সম্মানের চেয়ে অধিক মূল্যবান ছিল।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাদেরই সতীর্থ মোস্তাফিজকে অপমান করলেও অন্য ক্রিকেটাররা তার বিরুদ্ধে কোনো জোরালো প্রতিবাদ করেননি। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, ভারতে খেলতে না যাওয়ার দাবি ক্রিকেটাররাই প্রথমে তুলবেন। ভবিষ্যতে আইপিএলে খেলার সুযোগ পাওয়ার লোভে তারা সবাই মোস্তাফিজ ও দেশের অপমান উপেক্ষা করে মুখে স্কচটেপ এঁটে বসে ছিলেন। বরং কেউ কেউ সরাসরি ভারতের দালালি করেছেন। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে লিটন কুমার দাস ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছিলেন, ‘খেলোয়াড়দের কোনো সরাসরি ভূমিকা ছিল না এই সিদ্ধান্তে।

সরকার বলেছিল ভারতে কোনো নিরাপত্তা নেই। আমরা বলেছিলামÑ আমরা পাকিস্তানে খেলে এসেছি, সেখানে তো আমাদের রুমের বাইরে অস্ত্র হাতে পাহারা দেওয়া হতো। এর চেয়ে বেশি বিপজ্জনক আর কী হতে পারে? এটা পুরোপুরি তাদের (সরকারের) সিদ্ধান্ত ছিল।’ লিটন পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তারা সবাই ভারতে খেলতে যেতে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। পাকিস্তান সফরে তাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়াটাকেও তিনি নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করেছেন। পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, তারকা খেলোয়াড় মুশফিকুর রহিম সেই সফর বয়কট করে হাসিনা সরকারকে বেশ সন্তুষ্ট করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকারের সমর্থনপ্রাপ্ত বিসিবির প্রেসিডেন্ট, আরেক তারকা খেলোয়াড় তামিম ইকবালও সেদিন ভারতকে তোষামোদ করেই বক্তব্য দিয়েছিলেন।

বিশ্বকাপের মাত্র মাসখানেক আগে এ বছর ৮ জানুয়ারি তামিম ইকবাল দেশের সম্মানের চাইতে অর্থ উপার্জনকে অধিক মূল্য দিয়ে বলেছিলেন, ‘আপনি যদি দেখেন আমাদের ৯০-৯৫ ভাগ ফাইন্যান্স কিন্তু আইসিসি থেকে আসে। আমরা যখন খেলতে যাই, দর্শক অনেক ধরনের চিন্তা করে আবেগ থেকে অনেক কিছু বলে। সবকিছু এভাবে চিন্তা করলে আপনি এত বড় প্রতিষ্ঠান চালাতে পারবেন না।’ অর্থাৎ তিনি টাকার খাতিরে ভারতের যাবতীয় অপমানকে চুপচাপ মেনে নেওয়ার পক্ষে ছিলেন। এসব তারকাকে আমরা কী বলব ঠিক ভেবে পাচ্ছি না। বিপরীতে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ইস্যুতে আমার দেশ জাতির সম্মানকে সর্বাগ্রে স্থান দিয়ে ইউনূস সরকারের সাহসী সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেছিল।

মোস্তাফিজের চুক্তি বাতিল হলে আমার দেশ তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, আইপিএলের খেলার কোনো সংবাদ আমাদের পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে না। আমরা সেই সিদ্ধান্তের বিষয়টি পাঠকদের অবহিত করেছিলাম। আমার দেশ-এর কিছু পাঠক সেই সিদ্ধান্তে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখালেও দেশের সম্মানের প্রশ্নে আমরা অবিচল থেকেছি। আমার দেশ-এর আইপিএল বয়কটের সিদ্ধান্তের পর ইউনূস সরকারও বাংলাদেশে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ করেছিল। মোস্তাফিজের বিষয়ে ক্রিকেটাররা নীরবতা পালন করলেও নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে খেলোয়াড়দের নানা ধরনের আন্দোলন ড. ইউনূস আমলে জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। তারকা ক্রিকেটাররা জাতির গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বিপক্ষে না দাঁড়ালেও বিপিএল চলাকালীন ধর্মঘট করে মাঠের বাইরে থেকে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সরকারকে বিব্রত করতে কসুর করেননি।

আরেক তারকা সাকিব আল হাসান দেশের বিরুদ্ধে লাগাতার কী করে যাচ্ছেন, সেটা আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন। তারকারা সব অসন্তুষ্ট হবেন জেনেও দেশের স্বার্থে আমাকে বলতে হচ্ছে, এই প্রকৃতির সুবিধাবাদী ও বাণিজ্যিক চরিত্রের তারকাদের দ্বারা রাষ্ট্রের কোনো উপকার কখনো সাধিত হয় না। দেশের সব ক্রিকেটপ্রেমীদেরকেও স্বার্থপর তারকাদের নিয়ে অতিরিক্ত আবেগ দেখানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই। পাঠকরা হয়তো ভাবছেন, এতদিন পর আমি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশের বয়কটের বাসি প্রসঙ্গ নিয়ে কেন লিখতে বসেছি। কারণ হলো, ফ্যাসিবাদের পতনের পর থেকে ভারত বাংলাদেশ সরকারকে নতি স্বীকার করানোর উদ্দেশ্যে সংখ্যালঘু কার্ড, হাসিনা কার্ড, পাকিস্তান কার্ড, জঙ্গি কার্ড, ইত্যাদিসহ অন্য যেসব কার্ড ব্যবহার করে চলেছে, তার মধ্যে ক্রিকেট কার্ডও রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামী মাসে ভারত ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরে আসার নির্ধারিত সময়সূচি রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ক্রিকেটকে রাজনীতির ময়দানে টেনে এনে দিল্লি কথিত ‘ভদ্রলোকের খেলার’ ইজ্জত ডুবিয়ে আসছে। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মাঠে হাত মেলানোর রীতিকে পর্যন্ত অসম্মান করতে ভারতীয় টিমের বাধেনি। যেহেতু ভারত বর্তমান ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম পরাশক্তি এবং সে দেশে খেলাটির বিপুল জনপ্রিয়তার ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার অর্থ উপার্জনের প্রধানতম উৎস, সে কারণে ভারতের ঔদ্ধত্যের কাছে আইসিসি একেবারেই অসহায়। তদুপরি বর্তমানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান খোদ ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে হওয়ায় সেখান থেকে ভারত অসন্তুষ্ট হতে পারে এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসা একেবারেই অসম্ভব। সুতরাং আমার ধারণা, ভারত যেকোনো একটি অভিযোগ তুলে তাদের ক্রিকেট দলের আসন্ন বাংলাদেশ সফর স্থগিত করবে যাতে আমরা আর্থিক এবং অন্যান্য ক্ষতির সম্মুখীন হই।

আমি আশঙ্কা করছি যে, দিল্লিকে নমনীয় করার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ইউনূস সরকারের মতো সাহস দেখানোর পরিবর্তে নতজানু ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে। আমার এই উদ্বেগের পেছনে যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রভাবশালীদের কাছ থেকে ২০২৪ সালের ভুয়া সংসদের আওয়ামী এমপি ও বিতর্কিত তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে বেশ অতি-উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়েছে। নিঃসন্দেহে সাকিব আল হাসান কেবল বাংলাদেশের নয়, বিশ্বক্রিকেটেও এক উজ্জ্বল তারকা। কিন্তু, একই সঙ্গে অন-লাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা, শেয়ারবাজারে অনিয়ম, বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থপাচার, খেলার মাঠে শৃঙ্খলাভঙ্গ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইসিসির দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা, ফ্যাসিবাদের সহযোগিতা, ইত্যাদি কারণে তাকে নিয়ে বিতর্কও কম নেই। কাজেই খেলার মাঠের নায়ক সাকিব অন্যান্য ক্ষেত্রে রীতিমতো খলনায়ক।

তিনি এখনো দিল্লিতে পলাতক শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মীর ভূমিকা পালন করে চলেছেন। গত সপ্তাহে ভারতীয় ‘ডিপ স্টেটের’ সঙ্গে যোগসাজশে শেখ হাসিনা যে ভার্চুয়াল অডিও ইন্টারভিউ দিয়েছেন, সেখানেও সাকিব উপস্থিত ছিলেন। অথচ এহেন সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েই আমিনুল হক বলেছিলেন, ‘যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, সেটাকে দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে আমিও চাই সাকিব-মাশরাফিরা যেন আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফিরে আসতে পারেন।

আমরা এ জায়গাটায় অত্যন্ত নমনীয় ও সহনশীলতাকে প্রাধান্য দিতে চাই।’ ফ্যাসিবাদের দোসরদের প্রতি বর্তমান ক্ষমতাসীন মহলের এ ধরনের অনুরাগ মহান জুলাই শহীদদের স্মৃতিকে অবমাননার শামিল। এই গর্হিত কাজ যারা করতে পারছেন, তারা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আমাদের তেমন অবাক হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভারতীয় অনেক মিডিয়ায় দাবি করা হচ্ছে যে, ভারতীয় ক্রিকেট দলকে ঢাকা সফরে সম্মত করানোর জন্য বিসিবির কর্তারা জয় শাহ এবং ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের কাছে ইতোমধ্যে দেনদরবার শুরু করেছেন। এতে স্বয়ং ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বিসিবি সভাপতিরও নাকি উৎসাহের কমতি নেই। তাদের অতীত ভূমিকা ভারতীয় মিডিয়ার এমন প্রচারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। এ বিষয়ে উদ্বেগ জানাতেই আমার আজকের লেখা।

আরওপড়ুন

মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, রক্ষা পেলেন অল্পের জন্য

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অন্যায় আড়াল, অন্যের অন্যায়ে সরব; এ কেমন নৈতিকতা— প্রশ্ন ইসলামি বক্তা সাইফুল্লাহর

বিশ্বক্রিকেটের সারা বছরের ক্যালেন্ডার প্রণয়নের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের, যার বর্তমান কর্তা জয় শাহ। ভারত ব্যতীত আইসিসির সব সদস্য রাষ্ট্র এই ক্যালেন্ডার মেনে চলে এবং খেলাকে সচরাচর রাজনীতির বাইরে রাখে। ক্রিকেট বিশ্বে এই ভদ্রতার একমাত্র ব্যতিক্রম ভারত। পাকিস্তানের সঙ্গে খেলার ক্ষেত্রে ভারত গত দুই দশকেরও অধিক কাল ধরে আইসিসির সিদ্ধান্তকে ক্রমাগত উপেক্ষা করে চলেছে। শেখ হাসিনার পতন ও দিল্লিতে পলায়নের পর ভারত সরকার বাংলাদেশের সঙ্গেও পাকিস্তানের অনুরূপ বৈরী আচরণ করে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে আমাদের ধরে নেওয়া একেবারে অযৌক্তিক হবে না যে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের নির্ধারিত সফর নিয়েও তারা টালবাহানা করবে।

তারা হয়তো বাংলাদেশ সফরকালে ভারতীয় দলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করবে। বাংলাদেশের উচিত এখনই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে সফরের বিষয়ে তাদের অবস্থান দ্রুত পরিষ্কার করতে বলা। সেখান থেকে নেতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত এলে বিসিবির অনতিবিলম্বে আইসিসির ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে, যাতে করে প্রয়োজনে তারা একটি নিরপেক্ষ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে যায়। আমি জোর দিয়েই বলতে পারি যে, বাংলাদেশে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। আইসিসির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন দিলে ভারতের একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ আর থাকবে না।

তারপরও ভারতীয় ক্রিকেট দল এখানে খেলতে না এলে আমরা তখন যুক্তিসংগতভাবেই দিল্লির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারব। আমি আশাবাদী যে, আইসিসির অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে। ড. ইউনূস সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে বিবাদে পাকিস্তান আমাদেরকে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছিল। সে সময় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমাদের বোর্ডের খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আমাদের পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে পাকিস্তান ভারতে আয়োজিত বিশ্বকাপ বয়কটেরও হুমকি দিয়েছিল। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে আইসিসি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সম্মত হলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল।

আমি জানি না, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তামিম ইকবালরা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছেন কি না। তেমনটা না হয়ে থাকলে ভারতের সঙ্গে আবারও বিবাদ বাধলে পাকিস্তানসহ অন্যান্য আইসিসি সদস্য রাষ্ট্রের সহযোগিতা না পাওয়ার কোনো কারণ দেখি না। মোট কথা, দেশের সম্মানকে খেলার উপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় মানসিকতা নিয়ে যুক্তি দিয়ে দর-কষাকষি করলে বিজয় আমাদেরই হবে। আর যদি তামিম ইকবাল এবং লিটন দাসরা ভারতের কাছে ইতোমধ্যে মাথা বিকিয়ে দিয়ে থাকেন, তাহলে জনগণকেই প্রতিরোধে নামতে হবে। কাজেই বল এখন বিএনপি সরকারের কোর্টে।

Related Posts

মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, রক্ষা পেলেন অল্পের জন্য
বাংলাদেশ

মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, রক্ষা পেলেন অল্পের জন্য

October 24, 2026
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অন্যায় আড়াল, অন্যের অন্যায়ে সরব; এ কেমন নৈতিকতা— প্রশ্ন ইসলামি বক্তা সাইফুল্লাহর
বাংলাদেশ

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অন্যায় আড়াল, অন্যের অন্যায়ে সরব; এ কেমন নৈতিকতা— প্রশ্ন ইসলামি বক্তা সাইফুল্লাহর

October 24, 2026
উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
বাংলাদেশ

উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

October 24, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • ২৫ লাখ টাকার বাণিজ্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সচিবালয়ে রাত কাটানোর নাটক

    ২৫ লাখ টাকার বাণিজ্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সচিবালয়ে রাত কাটানোর নাটক

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নিজের স্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তার আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মির্জা আব্বাস-পুত্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • শুধুই কি চুমু নাকি ব্যভিচার? মক্কায় দুই বাংলাদেশির ফাঁসি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের বিভ্রান্তি উন্মোচন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাবাকে কী বলেছিলেন সুইটি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

ট্রাম্পকে খুশি করতে তেল দিচ্ছে পুতিন! ২০২২ সালের পর প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে রুশ ডিজেল

ট্রাম্পকে খুশি করতে তেল দিচ্ছে পুতিন! ২০২২ সালের পর প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে রুশ ডিজেল

October 24, 2026
মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, রক্ষা পেলেন অল্পের জন্য

মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, রক্ষা পেলেন অল্পের জন্য

October 24, 2026
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অন্যায় আড়াল, অন্যের অন্যায়ে সরব; এ কেমন নৈতিকতা— প্রশ্ন ইসলামি বক্তা সাইফুল্লাহর

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অন্যায় আড়াল, অন্যের অন্যায়ে সরব; এ কেমন নৈতিকতা— প্রশ্ন ইসলামি বক্তা সাইফুল্লাহর

October 24, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০