কক্সবাজারে রাতের আঁধারে একটি আবাসিক রিসোর্ট দখলের অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা অ্যাডভোকেট আল আমিনকে প্রধান আসামি করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য বদরুল হাসান মিল্কীসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। শহরের জমি দখল নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কটূক্তি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার মাত্র এক দিনের মাথায় এই দখলের ঘটনা ঘটল।
সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার শহরের লাইট হাউস এলাকায় অবস্থিত ‘নকশী রিসোর্ট’ দখলের সময় পুলিশ ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখান থেকে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মাহফুজ শাকিল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং এলাকার বাসিন্দা এবং মামলার দুই নম্বর আসামি। রিসোর্ট মালিকের স্ত্রী ইসরাত জাহান চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে আসামিরা প্রথমে বাদীপক্ষের মালিকানাধীন মিল্কী রিসোর্টের চারটি ফ্ল্যাট ও নিচতলার একটি দোকান দখলে নেন। পরবর্তীতে আল আমিনের নেতৃত্বে গভীর রাতে নকশী রিসোর্টটি অন্যায়ভাবে দখল করে নেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অ্যাডভোকেট আল আমিন দাবি করেন, আব্দুর রশিদ চৌধুরী ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ওই জমি দখলে রেখেছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, জাতীয় জরুরি সেবা থেকে কল পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।







