নিউইয়র্কে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হতে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই কূটনৈতিক মঞ্চে এবারের অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে বাংলাদেশ সরাসরি নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং’ শীর্ষক আলোচনা সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই আসন লাভকে ‘নতুন যাত্রা, নতুন সম্ভাবনা ও নতুন আকাঙ্ক্ষার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেন।
কূটনৈতিক সাফল্য ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি
আন্তর্জাতিক জয়: সাইপ্রাস বিগত এক দশক ধরে সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদের জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাভ করে।
সমন্বিত প্রচেষ্টা: দেশের এই অর্জনকে জাতীয় গৌরব হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশের ৮৩টি কূটনৈতিক মিশনের সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলেই এ সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা: দেশে টেকসই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকাই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই বড় কূটনৈতিক জয়ের পথ সুগম করেছে।
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্ব কেবল বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ও বিশ্বস্ততা আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।







