জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে সরকারকে কৌশলগত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াতের অপরাজনীতি রুখতে সরকারকে আরও বেশ কিছু ‘ব্যাটসম্যান’ বা কৌশলগত রাজনৈতিক শক্তি তৈরি করতে হবে এবং এই দায়িত্ব শুধু নুর বা রাশেদের একা নয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জামায়াতের সাধারণ নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত সহানুভূতি থাকলেও দলটি যেভাবে রাজনীতি পরিচালনা করছে, তা দেশের জন্য ভয়ংকর বিপর্যয় ডেকে আনবে। জামায়াতের এই রাজনৈতিক ধারাকে মোকাবিলা করতে বিএনপির জোটভুক্ত অন্যান্য ইসলামিক দল এবং আলেম-ওলামাদের সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত করে ক্ষমতায়িত করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিদেশে অবস্থানরত কয়েকজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের কড়া সমালোচনা করে নুর বলেন, একটি চক্র ডিজিটাল চাঁদাবাজি ও জামায়াতের দালালি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। সরকারি দলের শীর্ষ নেতা, মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত অপপ্রচার চালানো এই সাইবার দুর্বৃত্তদের জামায়াত পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে দাবি করে অবিলম্বে তাদের প্রতিরোধ করার জোর তাগিদ দেন তিনি।
জামায়াতের নেতৃত্বের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিজেদের ইসলামিক দল দাবি করলেও তারা কখনোই কোনো দেশবরেণ্য আলেমকে নেতৃত্বে বসায়নি। বায়তুল মোকাররমের মতো গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিসত্ত্বাকে জামায়াতের আমির করা হলে তাঁদের প্রতি সম্মান তৈরি হতে পারতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূলধারার আলেম-ওলামা ও দেওবন্দী মতাদর্শের সঙ্গে জামায়াতের মৌলিক দূরত্বের কারণে দলটির রাজনৈতিক উত্থান ভবিষ্যতে আলেম সমাজের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।







