ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অপরাধে অভিযুক্ত মোসাম্মৎ রুমা আক্তারকে দুই পৃথক ধারায় মোট সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। তবে উভয় দণ্ড একসঙ্গে চলায় তাঁকে সর্বোচ্চ চার বছর সাজা ভোগ করতে হবে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রায়ে এক ধারায় আসামিকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড) দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি গুরুতর আঘাতের দায়ে অপর একটি ধারায় তাকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সমপরিমাণ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুনে ঢাকার বংশাল এলাকার কসাইটুলীতে সিয়ামের সঙ্গে রুমা আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে সিয়াম ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রুমা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান এবং শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ জখম করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর বাবা বংশাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্ত শেষে পুলিশ কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম ২০২৫ সালের মে মাসে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।







