বয়লার অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ কারিগরি জটিলতার কারণে বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মেগা এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সার্বিক উৎপাদন এক লাফে অর্ধেকে নেমে এসেছে, যার সরাসরি প্রভাবে স্থানীয় এলাকা থেকে শুরু করে জাতীয় গ্রিডে লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে।
কয়লা সংকট না থাকায় প্ল্যান্টটি থেকে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে গত রবিবার সকালে ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্ল্যান্টটির উৎপাদন কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। বিদ্যুৎ উৎপাদন হঠাৎ ব্যাহত হওয়ায় বাগেরহাট অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে তীব্র গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকেরা।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি মেরামতের জন্য ভারত থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আসার কথা থাকলেও বুধবার দুপুর পর্যন্ত তারা এসে পৌঁছাননি। রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন, দেশীয় প্রকৌশলীরা প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন এবং ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা পৌঁছালে মূল মেরামত কার্যক্রম শেষ করা হবে। তবে কেন্দ্রটি পুরোদমে চালু হতে আরও ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।
এদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিটটি বর্তমানে ঠান্ডা করার (‘কুল ডাউন’) প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দ্রুততম সময়ে মেরামত কাজ শেষ করে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট পূর্ণ উৎপাদনে ফেরার জোরালো দাবি জানিয়েছেন চরম বিদ্যুৎ সংকটে ভোগা স্থানীয় গ্রাহকেরা।







