বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার ছিল নির্যাতনে নিহত বা আহত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং লুটপাট হয়ে যাওয়া অর্থ ফেরত আনা। তিনি জানান, টিআইবি’র তথ্য অনুযায়ী, আগের সরকার প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় প্রশাসন ভেঙে পড়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গিয়েছিল, অর্থনীতি বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল এবং হাজার হাজার মানুষ নির্যাতনকেন্দ্রে আটক ছিল। তবে ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, পরবর্তী সরকারে তিনি কোনো নির্বাচিত বা নিয়োগপ্রাপ্ত পদে থাকবেন না। “আমাদের মূল লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন, যেখানে সব দলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে,”—বলেন ড. ইউনূস।
এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে প্রবাসী নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। পাশাপাশি একটি নতুন সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরতন্ত্র মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেসারাট নিউজে লেখা এক নিবন্ধে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব মন্তব্য করেন।







