মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক উন্মোচিত হলো। মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য হিসেবে ইতিহাস গড়ে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ডা. আবদুল এল-সায়েদ। ৪১ বছর বয়সী মিশরীয় অভিবাসী মা-বাবার সন্তান এল-সায়েদ সিনেটর নির্বাচিত হওয়া প্রথম মুসলিম মার্কিন নাগরিক।
রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রতিনিধি মাইক রজার্সকে পরাজিত করে এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেন তিনি। পেশায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষক ড. এল-সায়েদের এই সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করল।
নির্বাচনী প্রচারণা জুড়েই এল-সায়েদ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ও ইসরায়েলকে দেওয়া বিপুল আর্থিক-সামরিক সহযোগিতার বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে তিনি ইসরায়েলি সেনাকে মার্কিন করদাতাদের অর্থ সহায়তা দেওয়াকে ‘ট্যাক্স ডলারের অপচয় ও নিকৃষ্টতম ব্যবহার’ বলে কঠোর সমালোচনা করে আসছিলেন।
স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য উন্মুক্ত করা (মেডিকেয়ার ফর অল), অর্থনৈতিক সমতা প্রতিষ্ঠা এবং বহুজাতিক কর্পোরেট শক্তির বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট অবস্থান বিশেষ করে তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তাঁর এই ঐতিহাসিক জয় মিশিগানের রাজনীতিতে তো বটেই, পুরো মার্কিন সিনেটেই নীতি নির্ধারণী আলোচনায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।







