গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়া শেষে ফেরার পথে অষ্টম শ্রেণির এক মারমা কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন যুবক শয়ন শীলকে আটক করে পুলিশ। আটক শয়ন শীল সিঙ্গিনালার বাপ্পী শীলের ছেলে। বর্তমানে সে রিমান্ডে রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বাকি দুজন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়িতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নানান জায়গায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরেও হামলা চালিয়েছে। ঢাকায় বসে শাহবাগী বামদের উস্কানিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা অতিদ্রুত এই দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে গত জুলাই মাসেও খাগড়াছড়িতে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের সবাই বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল।







