ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি, গণমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো সম্পূর্ণভাবে জায়নবাদীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সম্প্রতি কারাকাসে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মাদুরো প্রশ্ন তোলেন, “আসলে কে কাকে নিয়ন্ত্রণ করে? নেতানিয়াহু কি যুক্তরাষ্ট্রকে চালাচ্ছে, নাকি যুক্তরাষ্ট্র নেতানিয়াহুকে? আমি বিশ্বাস করি, জায়নবাদীরাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় প্রভাব বিস্তার করছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, হোয়াইট হাউস থেকে কংগ্রেস, মূলধারার গণমাধ্যম থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সব জায়গাতেই ইসরাইলের প্রভাব সুস্পষ্ট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বলিভারীয় বিপ্লবের পর থেকেই ভেনেজুয়েলা ও ইসরাইলের সম্পর্ক উত্তপ্ত। ২০০৮–০৯ সালের গাজা যুদ্ধের সময় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ ইসরাইলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
পরবর্তীতে ২০১৯ সালে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বিরোধী নেতা জুয়ান গুইদোকে ‘অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটে।
মাদুরো বলেন, “আজকের বিশ্বে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরাইলের গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা জরুরি। মানবতার স্বার্থে সবাইকে এই অপরাধের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”
ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকার আন্তর্জাতিক মহলে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জোরদার করতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক ফোরামে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।







