ফ্যাসিস্ট হাসিনার অবৈধ সরকারের আমলে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম আবদুর রহিম এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে বছরের পর বছর কারাগারে রাখা হয়েছিল।
তাদের নিয়মিতভাবে ভ্যানে করে আদালতে আনা–নেওয়া হতো—তখন কিন্তু সেনাবাহিনীর “ইজ্জত” ক্ষুণ্ন হয়নি। রাষ্ট্র তখন এসবকে আইনের প্রয়োগ হিসেবেই উপস্থাপন করেছিল।
কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের জন্য ঢাকার সেনানিবাসে আলাদা কারাগার (সাবজেল) তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে—যা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সেনা সদস্যদের আইনের ঊর্ধ্বে রাখা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, অপরাধের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে, তাদের অবস্থান বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে বিচার ও দণ্ডের ক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখা উচিত।







