চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে—এমন খবর কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন আচরণবিধি মনিটরিং সেলের প্রধান ও নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. আমির মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি বলেন, “আমরা কাউকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে জরিমানা করা হয়েছে—এমন কোনো বক্তব্য দেইনি। এ ধরনের তথ্য কোথা থেকে এসেছে, তা আমরা জানি না। বর্তমানে আমরা নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়েই ব্যস্ত।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, “আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়গুলোর দায়িত্বে রয়েছেন কমিশনার আমির মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এ বিষয়ে তার সঙ্গেই যোগাযোগ করতে পারেন।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “আমি বিষয়টি পরে বিস্তারিত জানাব।”
অন্যদিকে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী দাবি করেন, “আমাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে—এমন কোনো তথ্য নির্বাচন কমিশন আমাদের জানায়নি।”
৩৫ বছর পর আয়োজিত চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওএমআর ব্যালট পদ্ধতিতে। পাঁচটি অনুষদ ভবনে স্থাপন করা হয়েছে ১৫টি ভোটকেন্দ্র ও ৬১টি ভোটকক্ষ। চাকসুর ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪১৫ জন প্রার্থী এবং হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪টি পদে লড়ছেন ৪৯৩ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৬ জন।
