ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে, এক বিশেষ সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন। সূত্রে জানা যায়, ইরান এখন এমন সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায় যে একযোগে এক হাজারের বহু গুণ — প্রায় দুই হাজার — ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা অর্জন করা যাবে; এতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চরমভাবে চাপের মুখে পড়তে পারে।

সূত্র বলছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাগুলো ২৪ ঘণ্টা ধারাবাহিকভাবে চালু আছে এবং উৎপাদন-তন্ত্রকে দ্রুত বৃদ্ধি করতে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। পূর্বের মতো ধাপে ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার নকশার পরিবর্তে এবার সামরিক কৌশলে ‘একযোগে ব্যাপক’ হামলার সক্ষমতা তৈরি করাই লক্ষ্য—যাতে প্রথম পর্যায়ে ব্যাপক বিধ্বংসী আঘাত করা যায় বলে আশা করা হচ্ছে। উপকেন্দ্রীয় এই পরিকল্পনার বিষয়ে ইরানি কর্মকর্তা ও বিদেশি বিশ্লেষকরা বিভিন্ন সময়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলে উল্লেখ আছে।

প্রভাব — বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এমন সক্ষমতা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা-দৃশ্যপটের ওপর তা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। ইসরায়েলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর প্রচণ্ড চাপ পড়বে; পাশাপাশি প্রতিবেশী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ক্ষমতাগুলোর কূটনৈতিক—সামরিক সমন্বয় বাড়াতে বাধ্য করবে। এমন পরিস্থিতি অঞ্চলে উত্তেজনা ও সামরিক একাংশন বাড়ানোর আশঙ্কাও বাড়ায়।







