দুবাই এয়ারশোতে ভারতের তেজাস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনার পর দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিরক্ষা অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে পাকিস্তানের JF-17। তেজাসের দুর্ঘটনায় ভারতের বিমান নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সমালোচনা চলতেই পাকিস্তান দ্রুত সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের JF-17 Block III যুদ্ধবিমানের প্রাথমিক রপ্তানি চুক্তি ঘোষণা করেছে।
এয়ারশোতে পাকিস্তান তাদের উন্নত সংস্করণের JF-17–এ PL-15E দীর্ঘ-পাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল প্রদর্শন করে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই যুদ্ধবিমান “যুদ্ধে পরীক্ষিত”—কারণ সাম্প্রতিক ভারত–পাকিস্তান আকাশযুদ্ধে JF-17 অংশ নিয়েছে এবং বাস্তবে যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, তেজাসকে ভারত সীমিতভাবে ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা মূল্যায়নের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে বড় কোনো যুদ্ধমিশনে অংশ নেয়নি এবং চলতি বছর ভারতের জাতীয় দিবসের বিমান প্রদর্শনীতেও তেজাসকে দেখা যায়নি।
দুবাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের যুদ্ধবিমান সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা বাজারে প্রতিযোগিতা আবারও সামনে এসেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
