যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে কটাক্ষ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি একটি ‘ফর্মুলা’ উপস্থাপন করেন, যেখানে সরবরাহ ও চাহিদার হিসাব তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
গালিবাফ বলেন, “তারা কার্ডের বড়াই করছে, অথচ ইরান এখনো তার সব কার্ড ব্যবহারই করেনি।”
তার ব্যাখ্যায় ইরানের পক্ষের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়—হরমুজ প্রণালি, বাব আল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে ব্যবহৃত হলেও বাকি দুটি এখনো ব্যবহার করা হয়নি। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হয়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তিনি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন, যা ইতোমধ্যে অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে বলে ইঙ্গিত দেন। এছাড়া চাহিদা কমানোর চেষ্টা আংশিক সফল হলেও ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
গালিবাফ বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গ্রীষ্মকালে ভ্রমণ ও বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, ফলে দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, শান্তি আলোচনা স্থবির থাকার মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২.১৬ ডলার বেড়ে ১০৭.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা ৭ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬.১৭ ডলারে।
