জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী সংসদ রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভূমিকম্পজনিত ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের বাসায় পৌঁছে দিতে বিভাগীয় শহরগুলোতে বাস সার্ভিস দেওয়ার ঘোষণা করলে ড. তারেক ফেসবুকে এক পোস্টে এই তিন প্রার্থীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি লেখেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে পরিবহন প্রশাসকের অফিসে প্রথমে এসে অনুরোধ করেছিল তারা।”
জকসু নির্বাচনী আচরণবিধির ৬(ঙ) ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে বা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন না। ফলে ড. তারেকের পোস্টটি আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও একই দাবি শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলও তুলেছিল, কিন্তু পরিবহন প্রশাসক তাদের নাম উল্লেখ করেননি।
এ বিষয়ে ড. তারেক বিন আতিকের ব্যাখ্যা,
“আমি শিক্ষার্থীদের মানুষিকভাবে উৎসাহ দেওয়ার জন্য মন্তব্য করেছি। এটি কোনো প্রচারণা নয়। আমি পোস্টও দিইনি; শুধু মন্তব্য করেছি। অনেক শিক্ষার্থীকে এমনভাবে আমি অনুরূপভাবে প্রশংসা করি।”
এর আগে তিনি আরেক ফেসবুক পোস্টে জকসু নির্বাচন ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি বিএনপি–জামায়াতের আন্দোলন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির পরিবেশ, এবং কিছু পেইজের ‘ভিত্তিহীন প্রচারণা’ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর ওই পোস্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়।
ড. তারেকের ফেসবুক সক্রিয়তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনের পক্ষে ধারাবাহিক পোস্ট দেওয়া নির্বাচন আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা।
