একটি চীনা বাণিজ্যিক কার্গো জাহাজের কনটেইনারের ভেতরে মিসাইল লঞ্চার, রাডার সিস্টেম ও নিকটবর্তী প্রতিরক্ষা অস্ত্র স্থাপনের তথ্য সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের দীর্ঘমেয়াদি একটি কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজকে ধীরে ধীরে সামরিক ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে।
এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো বেসামরিক জাহাজ ও নৌবাহিনীর জাহাজের মধ্যকার পার্থক্য কমিয়ে আনা, যাতে সংকট বা যুদ্ধকালীন সময়ে দ্রুত সামরিক মোতায়েন সম্ভব হয়। চীনের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ এই কৌশলের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগেও তাইওয়ান প্রণালিতে চলাচলকারী ফেরি জাহাজ সেনা পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি চীনের বিশাল মাছ ধরার নৌবহরকে গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত করার অভিযোগও রয়েছে। সর্বশেষ কার্গো জাহাজে সরাসরি অস্ত্র সংযোজনের মাধ্যমে বেসামরিক ও সামরিক নৌযানের সীমারেখা আরও অস্পষ্ট হয়ে উঠছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ সংঘাতের সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ কোনো জাহাজ আদৌ বেসামরিক নাকি সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে—তা চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে যাবে। এতে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।







