শহীদ শরীফ ওসমান হাদী চত্বরে (শাহবাগ) পিস্তলসহ এক যুবক আটকের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রথমে এটিকে ‘খেলনা পিস্তল’ বলে দাবি করা হলেও প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা অস্ত্রটি একটি বারেটা ৮১এফএস (Beretta 81FS) মডেলের পিস্তল বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আটক মুহূর্তে পিস্তলটি নিয়ে পুলিশের আচরণ সন্দেহজনক ছিল বলে অনেকের দাবি। উপস্থিত কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে অস্ত্রটি আড়াল করার চেষ্টা করা হলেও পরে তা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

তথ্যমতে, হাদী চত্বরে উপস্থিত ব্যক্তিদের দাবি—আটক যুবকের পিস্তলে এক রাউন্ড গুলি ছিল। অথচ পুলিশ সাংবাদিকদের জানিয়েছে, সেটি খেলনা পিস্তল হওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য ঘিরে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যদি অস্ত্রটি প্রকৃত পিস্তল হয়ে থাকে, তাহলে কেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো।
আটক যুবকের নাম মো. আরাফাত জামান। তাঁর বাড়ি রাজধানীর ধানমন্ডির জিগাতলা এলাকায়। বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, তিনি একজন বিএনপি কর্মী এবং একজন সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতার সন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই কি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত ও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অস্ত্রটির প্রকৃতি, এতে গুলি ছিল কি না এবং ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতির উদ্দেশ্য—এসব বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।







