আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নানের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য নিয়ে গুরুতর অসংগতি সামনে এসেছে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা দুইটি হলফনামা বিশ্লেষণে এই গড়মিল ধরা পড়েছে।
২০১৮ সালের নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামায় শাহ রিয়াজুল হান্নান তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ‘এলএলবি’ উল্লেখ করেন। সে সময় তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে দ্বিতীয় বিভাগে এলএলবি পাস করার একটি সত্যায়িত সনদপত্রের ফটোকপি জমা দেন। তবে সাত বছর পর, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা হলফনামায় তিনি নিজের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার স্থানে ‘স্বশিক্ষিত’ উল্লেখ করেছেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় শাহ রিয়াজুল হান্নান আরও দুটি এলএলবি সনদ ব্যবহার করেছেন। সেসব সনদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১০ সালে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০১২ সালে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
একই ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তিনটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের এলএলবি সনদ এবং সর্বশেষ হলফনামায় ‘স্বশিক্ষিত’ পরিচয় উল্লেখ করায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহল ও স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
