জুলাই যোদ্ধা সুরভীর বয়স নিয়ে পুলিশের তদন্তে গুরুতর অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। সুরভীর জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স ১৭ বছর এক মাস হলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে তার বয়স ২১ বছর উল্লেখ করেছেন। এ নিয়ে গাজীপুরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ছাত্র ও জনসাধারণ। দাবি পূরণ না হলে গাজীপুরের ছাত্র-জনতা প্রতিহত আন্দোলনে নামবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে সোমবার আদালত সুরভীকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। রিমান্ডের আদেশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।
সুরভীকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গ্রেপ্তার ও মামলার সত্যতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং তার প্রকৃত বয়স গোপন করে আইনি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বয়স সংক্রান্ত এই বিতর্ক ও তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও ছাত্রসংগঠনের নেতারা।







