সুরভী ইস্যুতে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। জানা গেছে, গত ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন মাল্টিমিডিয়ার সাংবাদিক নাঈমুর রহমান দুর্জয় গাজীপুরের চান্দরা চৌরাস্তায় একটি ইন্টারভিউ নেওয়ার কথা বলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে সেখানে ডেকে নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তিনি সুরভীকে নির্ধারিত স্থানে না নিয়ে কালিয়াকৈর থানার সফিপুর বাজারের পাশে, মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের ঠিক বিপরীতে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় সুরভী চিৎকার করে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে ২৬ নভেম্বর সুরভীর মা ছামিতুন আক্তার বাদী হয়ে নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ রয়েছে, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার না করে পুলিশ উল্টো সুরভীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে।
এদিকে মামলার পরপরই অভিযুক্ত নাঈমুর রহমান দুর্জয় উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের আদালত থেকে আগাম জামিন পান বলে অভিযোগ উঠেছে। আগাম জামিন পাওয়ার পর তিনি সুরভী ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিডিয়া ট্রায়াল চালান বলেও অভিযোগ করা হয়।
সুরভী ইস্যুতে অভিযুক্ত সাংবাদিক নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মামলার তদন্তে যুক্ত এসআই ওমর ফারুক এবং আগাম জামিন প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ বিষয়ে উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।







