রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বসুন্ধরা গ্রুপের সাম্প্রতিক অবস্থানকে তারা একটি ‘রেজিম সারভাইভাল স্ট্রাটেজি’ হিসেবেই দেখছেন। তাদের মতে, বসুন্ধরা গ্রুপ অতীতেও সবসময় ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান বজায় রাখার কৌশল অনুসরণ করেছে, ফলে এ নিয়ে নতুন করে বিস্ময়ের কিছু নেই।
তবে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকা। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, কেন তিনি এই তোষামোদমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করলেন। ৫ আগস্টের পর জনগণ যে ধরনের রাজনীতি প্রত্যাশা করছে, তা মূলত অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন একটি নতুন রাজনৈতিক ধারা—যেখানে নৈতিক অবস্থানই সবচেয়ে বড় পুঁজি।
তাদের মতে, যেসব গণমাধ্যম ও করপোরেট গোষ্ঠী গুম, খুন, ভোটচুরি ও দমন-পীড়নের সময় নীরব থেকেছে কিংবা সুবিধা নিয়েছে, তাদের কাছ থেকে এ ধরনের সম্মান বা স্বীকৃতি গ্রহণ করা নৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে। বসুন্ধরা গ্রুপের আচরণ পূর্বানুমেয় হলেও, তারেক রহমানের এই গ্রহণযোগ্যতাকে তারা অপ্রয়োজনীয় ও এড়ানো সম্ভব ছিল বলে মনে করছেন।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনীতিতে যদি সত্যিকার অর্থে নতুনত্ব আনতে হয়, তাহলে পুরোনো তোষামোদ ও সুবিধাভোগী সম্পর্কের প্রতি স্পষ্ট ‘না’ বলা জরুরি। তাদের মতে, কোনো প্রস্তাবে ‘না’ বলাও নেতৃত্বেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।







