আফ্রিকা কেন তুরস্কের কৌশলগত অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে—সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন। আনাদোলু এজেন্সির জন্য লেখা এক নিবন্ধে তিনি বলেন, তুরস্ক আফ্রিকাকে শুধু তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক বা অর্থনৈতিক স্বার্থের জায়গা হিসেবে দেখছে না; বরং দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।
ইব্রাহিম কালিনের মতে, আফ্রিকার সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো ‘ইন্টেলিজেন্স ডিপ্লোম্যাসি’। এই কৌশলের মাধ্যমে নিরাপত্তা সহযোগিতা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বিশ্বাস জোরদার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গোয়েন্দা সহযোগিতা শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য নয়, বরং স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং রাষ্ট্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
নিবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে তুরস্কের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সম্পৃক্ততা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ নানা খাতে আঙ্কারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার চেষ্টা চলছে।
কালিন বলেন, আফ্রিকার সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে তুরস্কের আঞ্চলিক প্রভাবের পাশাপাশি বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। তার ভাষায়, আফ্রিকাকে অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে গড়ে তোলা এই সম্পর্কই তুরস্কের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।







