ইরানে সাম্প্রতিক খামেনিপন্থী সমাবেশ নতুন এক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে আয়োজিত এসব সমাবেশে বিপুল জনসমাগম দেখা গেছে, যা সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারিত বর্ণনার সঙ্গে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরানের চলমান বিক্ষোভকে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া একটি আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে এবং যেভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। খামেনিপন্থী সমাবেশগুলো সেই ব্যবধান আরও স্পষ্ট করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—ইরানে বিরোধী আন্দোলনের পরিসর ও প্রভাব কি আন্তর্জাতিকভাবে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়নি? খামেনিপন্থী সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের প্রতি সমর্থন ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার বার্তা দিয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

এর আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের এবারের আন্দোলন খামেনিকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো নয় এবং শান্ত ও বিচক্ষণ ইরানি জনগণই শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে যথাযথ রায় দেবেন। সাম্প্রতিক সমাবেশগুলো সেই বক্তব্যের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।
সব মিলিয়ে, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে যে ফারাক রয়েছে, তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।







