জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ঐক্যে চরমোনাই পীরের দলকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ এখনো খোলা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি খালি থাকা ৪৭টি আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। নেতারা জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দলটি জোটে না এলে শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে এসব আসন বণ্টন করা হবে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের জোট থেকে সরে যাওয়ার পেছনে কোনো তৃতীয় পক্ষের প্ররোচনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি বলেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং এতে ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না।
গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার ভিত্তিতে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, সেই আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ সরে আসেনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি পুনরায় জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। আর যদি না আসে, তাহলে বাকি আসনগুলো শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।
মামুনুল হক বলেন, জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে রাজনৈতিকভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই স্থানে পৃথক প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে চরমোনাই পীরের দলের আসার সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। “দেখা যাক কী হয়, আমাদের দরজা সব সময় খোলা,” বলেন তিনি। খালি থাকা ৪৭টি আসন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব লিয়াজোঁ কমিটিকে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কমিটি বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নিলে তা জানানো হবে।







