ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষের পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পে আন্তর্জাতিক আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষে পাকিস্তানের জেট বিমান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হওয়ার পর সেগুলোকে ‘যুদ্ধপরীক্ষিত (combat tested)’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যা দেশটির অস্ত্র রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিজ্ঞতার পর দেশটি বর্তমানে অন্তত ১৩টি দেশের সঙ্গে অস্ত্র রপ্তানি নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা ইতোমধ্যে উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আলোচনায় JF-17 যুদ্ধবিমান, বিভিন্ন ধরনের ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশ্বিক অস্ত্র সরবরাহ শৃঙ্খলে সাম্প্রতিক বিঘ্ন এবং পশ্চিমা অস্ত্রের তুলনায় তুলনামূলক কম দামে বিকল্প সরবরাহের সক্ষমতা—এই দুটি বিষয় পাকিস্তানি অস্ত্রের প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে যুদ্ধপরীক্ষিত অস্ত্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় সম্ভাব্য ক্রেতাদের আস্থা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।







