দেশের বিভিন্ন জেলায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মনোহরগঞ্জ, লালমনিরহাট, চুয়াডাঙ্গা, লক্ষ্মীপুর, যশোর ও শরীয়তপুরে জামায়াতের নারী কর্মীরা নির্বাচনী গণসংযোগে বের হলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
সবচেয়ে আলোচিত ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে লালমনিরহাটে। সেখানে যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে একজন নারী জামায়াত কর্মীর হিজাব টেনে খোলার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়া জামায়াতের নারী কর্মীদের হিজাব খুলতে চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
এদিকে আজ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণাকালে সূতি নয়াপাড়ার বিএনপি নেতা চান মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম বাবু জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালান।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সারাদেশে সংগঠিতভাবে তাদের নারী কর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত অনেক জায়গায় মামলা বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দলটির নেতারা নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি করেছেন।







