ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের বন্দোবস্ত হবে। এমন একটি দেশ গড়ে তোলা হবে, যেখানে হিংসা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না।’শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নকিপুর সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে জামায়াত মনোনীত সাতক্ষীরা-৪ আসনের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলামের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় তিনি দাবি করেন যে, জামায়াতের নেতৃত্বেই আগামীতে নতুন বাংলাদেশের প্রকৃত রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিশ্চিত হবে। তিনি এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন যেখানে হিংসা, চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতির মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যাধির কোনো স্থান থাকবে না।
সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ের কথা স্মরণ করে বলেন, সেই কঠিন সময়ে জামায়াত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আসন্ন নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘদিনের অনিয়ম, শোষণ এবং মাফিয়াতন্ত্রের চূড়ান্ত অবসান ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখন সত্যিকারের পরিবর্তন চায়। শান্তি, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা আগামী নির্বাচনে সকল প্রকার দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ শক্তিকে ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারকে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উল্লেখ করে বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং কৃষি খাতের আমূল পরিবর্তনসহ সুশাসনের এক নতুন রূপরেখা বাস্তবায়িত হবে।
শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম, ড. খলিলুর রহমান মাদানী এবং খুলনা-১ আসনের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে আগামী নির্বাচনে অংশ নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের জয়ী করার আহ্বান জানান।







