নীলফামারীতে নির্বাচনী জনসভা শেষে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে জেলা পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যাহ্নভোজ (লাঞ্চ) করানোর এক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নীলফামারী সদর আধুনিক হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক জনসভা শেষে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, জনসভা শেষ করার পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিন নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম এবং দায়িত্বপালনকারী অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। এই ভোজে নীলফামারী জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও অংশ নিয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো প্রকার উপহার, আতিথেয়তা বা ব্যক্তিগত সুবিধা প্রদান করতে পারেন না। নির্বাচনের আগমুহূর্তে জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রার্থীর পক্ষ থেকে আতিথেয়তা প্রদান নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনি শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের এমন ব্যক্তিগত আতিথেয়তা গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় ভোটাররা। তাদের মতে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।
