ভূমিধস বিজয়ের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন তারেক রহমান। নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে এখন কেবল কয়েকটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা বাকি।
সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ, সংসদীয় দলের বৈঠক, নেতা নির্বাচন এবং সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ—এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে নতুন সরকার। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে—নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, কতটা তারুণ্য প্রাধান্য পাচ্ছে এবং শরিক দলগুলোর কোন কোন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে কারা আসছেন—তা নিয়েও চলছে জল্পনা-কল্পনা। শপথ কে পড়াবেন, সংসদের নেতৃত্ব কাঠামো কীভাবে সাজানো হবে—এসব প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের মন্ত্রিসভায় তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতি বাড়তে পারে। পাশাপাশি জোটসঙ্গী দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দিকেও নজর দেওয়া হতে পারে।
নতুন সরকারের রূপরেখা ও নেতৃত্ব কাঠামো চূড়ান্ত হলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।







