নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা এলাকায় এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক মহল, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাতের দিকে ছনন্দী ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে মারধর ও যৌন নিপীড়ন করে। ভুক্তভোগী দাবি করেন, ঘটনার সময় তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল এবং পরে তাকে বিএনপি সমর্থক কালা ইমরান, রুবেল এবং রহমান সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারী শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কয়েকটি রাজনৈতিক দল এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, অভিযোগের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার মতো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
হাতিয়া সার্কেলের দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি ছড়ালেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
বর্তমানে ভুক্তভোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নোয়াখালী সংবাদ দাতা: মোঃ বোরহান উদ্দীন।
