ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে জয়ী হতে না পারলেও নতুন সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিএনপি নেতা আমিনুল হক। নির্বাচনে পরাজিত হয়েও ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় তাঁর এই নিয়োগ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই সাফল্যে আমিনুল হককে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক অভিনন্দন বার্তায় বিসিবি সভাপতি বলেন, আমিনুল হকের মতো একজন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে দেখা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। জাতীয় ফুটবল দলকে দীর্ঘদিন গর্বের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে মাঠের খেলোয়াড়দের বাস্তব সমস্যা, চ্যালেঞ্জ এবং তাদের আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে আমিনুল হকের সরাসরি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বিসিবি সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, একজন সফল অ্যাথলেট হিসেবে আমিনুল হকের এই অভিজ্ঞতা দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া প্রশাসনের মানোন্নয়নে এবং তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিসিবি নতুন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে, যাতে দেশের ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলারও ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
উল্লেখ্য, আমিনুল হক গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন। তবে ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ অবদান এবং রাজনৈতিক ত্যাগ বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
পেশাদার ফুটবলার হিসেবে দুই দশকের ক্যারিয়ারে আমিনুল হক ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০১০ সালে এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী বাংলাদেশ দলের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন। দেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম সাবেক ক্রীড়াবিদ, যিনি নির্বাচনে পরাজিত হয়েও সরাসরি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ দায়িত্বে আসীন হলেন।







