অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করার পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানকারী শহীদদের পথ ধরেই বাঙালির স্বাধিকার ও গণতন্ত্রের চেতনা সুদৃঢ় হয়েছিল। তিনি বলেন, একুশের সেই রক্তাক্ত পথ ধরেই দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে আমরা মহান স্বাধীনতা অর্জন করেছি।
বিশেষভাবে ২০২৪ সালের প্রেক্ষাপট টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ভাষা শহীদ এবং ৭১-এর বীর শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের ‘স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধে’ যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর এই বক্তব্যে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে স্বাধীনতা রক্ষার এক নতুন সংগ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একুশের মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর দেশে আজ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
বাণীতে তিনি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য ও নিজস্ব সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। পরিশেষে, তিনি সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দিবসের সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।







