নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে চলমান আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও ২০২৮ সালের আসরে সরাসরি খেলার সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে এবারের আসরে ভারত সফর থেকে বিরত থাকে টাইগাররা। ফলে পরবর্তী আসরে বাছাইপর্ব খেলার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, আইসিসির সাম্প্রতিক ঘোষণায় তার অবসান ঘটেছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। মূলত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার কারণেই এই সুযোগ তৈরি হয়েছে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের সুপার এইটে খেলা ৮টি দল এবং ২০২৮ আসরের দুই স্বাগতিক দেশ সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। এছাড়া সুপার এইটে ওঠা দলগুলোর বাইরে র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে আরও ৩টি দল সরাসরি মূল আসরে জায়গা করে নেবে। এবারের বিশ্বকাপে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান সুপার এইটে উঠে আগামী আসরের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি জায়গা পেয়েছে। আর নিউজিল্যান্ড সুপার এইটে ওঠায় র্যাংকিং কোটায় ৩টি দলের সুযোগ তৈরি হয়। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড যথাক্রমে ১০, ১১ ও ১২তম অবস্থানে থাকায় তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, আগামী ৯ মার্চের আগে এই তিনটি দেশের কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেই। ফলে তাদের র্যাংকিং পয়েন্ট কমার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং তালিকায় কোনো রদবদল হবে না। এর ফলে কোনো ম্যাচ না খেলেই ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।
২০২৮ বিশ্বকাপে বাকি ৮টি দল আসবে আঞ্চলিক বাছাইপর্ব থেকে। এর মধ্যে ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকে দুটি করে এবং আমেরিকা অঞ্চল থেকে একটি দল অংশ নেবে। এছাড়া এশিয়া-ইস্ট প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সর্বোচ্চ ৩টি দল মূল আসরে আসার সুযোগ পাবে।







