গোপনে স্বল্প ক্ষমতার পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অভিযোগে চীনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, চীন ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একটি বিস্ফোরণধর্মী পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরীক্ষাটি ছিল চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ। এর মাধ্যমে বেইজিং নতুন ধরনের বিস্ফোরক এবং ট্যাকটিক্যাল বা কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক ওয়ারহেডগুলোর কার্যকারিতা যাচাই করতেই এ ধরনের স্বল্প ক্ষমতার বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে।
এদিকে চীন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, তারা পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রতি দায়বদ্ধ এবং এ ধরনের কোনো গোপন কার্যক্রম তারা পরিচালনা করেনি। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে তারা পাল্টা অভিযোগ করেছে।
এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ফলে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিদ্যমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই গোপন পরীক্ষার বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।







