২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০১ সালের নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক সহিংসতা, দমন-পীড়ন এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ তদন্ত কমিশন গঠন করে। মূলত ওই সময়ে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পরিচালিত নির্যাতনের প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের চিহ্নিত করাই ছিল এই কমিশনের মূল লক্ষ্য।
এই গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (যিনি তৎকালীন সময়ে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামে পরিচিত ছিলেন)। সে সময় তিনি একজন প্রখ্যাত জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে বিচার বিভাগে তাঁর দক্ষতা ও সততার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
কমিশনটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে এবং দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করে। এই প্রতিবেদনে ২০০১ পরবর্তী সময়ে সংঘটিত অপরাধের ধরন এবং এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত সেই কমিশনের রিপোর্টটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিরসনে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল।







