ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা শুরু হয়েছে। শনিবার ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত অবস্থানে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা শহর। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দাবিটি করেছে ইসরায়েলি মিডিয়া। তারা জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে লক্ষ্য করে এই অভিযান বা হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা কী বা তিনি কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ভাগ্য এখন পর্যন্ত অজানা রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের অন্তত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে তাদের যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে তেহরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারীরা বলছেন, ইসরায়েল এবার ইরানের ‘হাই ভ্যালু টার্গেট’ বা উচ্চ-পর্যায়ের লক্ষ্যবস্তুগুলোকে বেছে নিয়েছে। অভিযানের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ হামলাটি চালানো হয়েছে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ভবনে। গোয়েন্দা দপ্তরে এই সরাসরি হামলা ইরান-ইসরায়েল সংঘাতকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তেহরানের আকাশজুড়ে বর্তমানে ঘন ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা পদক্ষেপ বা ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি এখনও আসেনি। তবে এই যৌথ হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক চরম উত্তজনা ও বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।







