মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে সোমবার (২ মার্চ) ইসরায়েলের অভ্যন্তরে কয়েক দফায় তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি ভূখণ্ডের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ১১তম ঢেউ (Wave) পরিচালনা করেছে। এই দফার হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বীরশেবা (Be’er Sheva)।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি বীরশেবায় অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ শিল্প কমপ্লেক্সে (Communication Industry Complex) আঘাত হেনেছে। ইরানি সামরিক সূত্রগুলো বলছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে পঙ্গু করে দিতেই এই বিশেষ স্থাপনাটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর তথ্য হিসেবে তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি ভবনের ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে যে, এটিই বীরশেবার সেই ভবন যেখানে মাইক্রোসফটসহ (Microsoft) বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানির কার্যালয় অবস্থিত। ইরানের দাবি, সামরিক ও প্রযুক্তিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই ভবনটি তাদের হামলার শিকার হয়েছে।
তবে এই হামলার ফলে মাইক্রোসফট কার্যালয় বা বীরশেবা কমপ্লেক্সের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইসরায়েলি সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা তথ্য পাওয়া যায়নি। এই হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।







