দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগের ঘটনাকে ‘হতাশাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
ড. ইফতেখারুজ্জামান তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, এই পদত্যাগ হতাশাজনক হলেও তা মোটেও অপ্রত্যাশিত ছিল না। তিনি মনে করেন, দেশের রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সংস্থাগুলোকে নিজেদের পছন্দের নেতৃত্বের আওতায় রাখার একটি দীর্ঘদিনের নেতিবাচক সংস্কৃতি বাংলাদেশে বিদ্যমান। দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখা ক্ষমতার কাঠামোর কাছে এখনো অগ্রহণযোগ্য রয়ে গেছে।
বিবৃতিতে টিআইবি প্রধান আরও সতর্ক করে বলেন, স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক সুবিধার জন্য নজরদারি সংস্থাগুলোর ওপর এমন হস্তক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের জন্য আত্মঘাতী পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দুদকের স্বাধীনতা রক্ষার যে অঙ্গীকার করা হয়, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন কতটুকু ঘটবে তা এখন দেখার বিষয়।
পরিশেষে তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় এবং কাদের মাধ্যমে এই শূন্যস্থান পূরণ করা হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে দুদকের ভবিষ্যৎ সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা।







