অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, “জামায়াতকে মেইনস্ট্রিম হতে দিইনি”। এর প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেন জামায়াতের এমপি ড. মাসুদ।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সুবিধাভোগী সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সম্প্রতি চ্যানেল ওয়ান-এ এক সাক্ষাতকারে বলেন, “সেই শক্তির একটা পার্ট যদি বিরোধী দলও হয়, আমার এবং আপনার কাজ হবে তাদের রাজনীতির সেই অংশের বিরুদ্ধে কাজ করা, যা নারীবাদ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অংশগ্রহণের বিরোধী। কখনো যেন এ ধরনের শক্তি মেইনস্ট্রিম হতে না পারে, আমরা সেই কাজটি করতে পেরেছি। তাদেরকে আমরা মেইনস্ট্রিম হতে দিইনি।”

সৈয়দা রিজওয়ানার এই মন্তব্য বর্তমান সরকারের নৈতিকতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলার মতো। জামায়াতের এমপি ড. মাসুদ ফেসবুকে লিখেছেন, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক উপদেষ্টার বক্তব্য বর্তমান সরকারকে নৈতিকতার মানদণ্ডে চূড়ান্তভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। নতুন নির্বাচনের দাবি তোলা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।”
এ প্রসঙ্গে নেটিজেনদেরও মন্তব্য এসেছে। তারা বলছেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা নিরপেক্ষ ছিলেন না; তারা হয়তো কাউকে ক্ষমতায় এনেছেন, কেউকে ক্ষমতায় আসতে দেননি। এখন যদি এ ধরনের তথ্য প্রকাশ পায়, তাহলে তাদের পায়ের নীচে মাটিও থাকবে কি? নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বিষয়টি অনেকাংশেই সত্যি হিসেবে সামনে চলে এসেছে। দিন কারোই একরকম যায় না, কত রথি-মহারথী ভেসে গেল। দেখা যাক ওনাদের কপালে কী আছে।”
রাজনীতিবিদ এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, সৈয়দা রিজওয়ানার মন্তব্য এবং জনমতের প্রতিক্রিয়া নতুন নির্বাচনের দাবি আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতার মতো ইস্যুগুলো রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকার কারণে, রাজনৈতিক উত্তেজনা আগামী দিনে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।







