ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের শুরু থেকে ইরান এ পর্যন্ত যেসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, সেগুলোর প্রায় সবই এক দশকের বেশি পুরোনো।

বিপ্লবীগার্ডের সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ১২-১৪ বছরের পুরোনো এই প্রযুক্তির অস্ত্রগুলো আগে ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান মূলত তাদের অস্ত্রের মজুদ খালি করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরান তাদের এই কৌশলের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন প্রজন্মের অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ইরান এখনো সুরক্ষিত রেখেছে। এগুলো মূলত যুদ্ধের পরবর্তী বা চূড়ান্ত ধাপের জন্য জমা রাখা হয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয় যে, তারা সম্ভাব্য যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত। পুরোনো ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েও তারা প্রতিপক্ষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে তাদের সবচেয়ে বিধ্বংসী অস্ত্রগুলো এখনো ব্যবহারই করা হয়নি।







