ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে ইসরায়েলে সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯,১১৫টি ক্ষতিপূরণের আবেদন জমা পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের ঘরবাড়ি, যানবাহন এবং অন্যান্য সম্পদের ক্ষতির বিপরীতে এই আবেদনগুলো করেছেন।
শহরভিত্তিক আবেদনের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তেল আবিবে। সেখানে ৪,৬০৯টি আবেদন জমা পড়েছে। এরপরই রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আশকেলন, যেখান থেকে ৩,৬৬৪টি আবেদন জমা পড়েছে।
অন্যান্য শহরের মধ্যে উপকূলীয় শহর আক্কায় ৪৯৪টি, পবিত্র নগরী জেরুজালেমে ১৮১টি এবং উত্তরাঞ্চলীয় পর্যটন শহর তিবেরিয়াসে ১৬৭টি ক্ষতিপূরণের আবেদন জমা পড়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে সরাসরি আঘাত হেনেছে।
ইসরায়েলি ট্যাক্স অথরিটি (Tax Authority) এই আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করছে। অনেক ক্ষেত্রেই দালানকোঠার কাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের ক্ষতির জন্যও বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে এই আবেদনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটির সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে ইরানের সামরিক তৎপরতা এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ডে তাদের নিখুঁত নিশানার বিষয়টি এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
