ঈদের দিন সকাল ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের ১৫ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে কুমিল্লায়, যেখানে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ জন প্রাণ হারান। এছাড়া হবিগঞ্জে ৪ জন, ফেনীতে ৩ জন এবং ময়মনসিংহ ও নাটোরে ২ জন করে নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রামের পটিয়া ও মিরসরাইসহ আরও কয়েকটি জেলায় পৃথক দুর্ঘটনায় একজন করে নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস অংশ নেয়।
ফেনী
বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
অন্যান্য জেলা
ঝিনাইদহ, নাটোর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ফরিদপুর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও নিয়ন্ত্রণ হারানো ছিল প্রধান কারণ।
হবিগঞ্জ
মাধবপুরে একটি পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে ৪ জন নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা একই পরিবারের সদস্য।
বান্দরবান
পাহাড়ি সড়কে একটি পর্যটকবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত যাত্রীচাপ, বেপরোয়া গতি এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।







