যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শর্তসাপেক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। এই চুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস দিচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৫.৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৩০ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ১৬.৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৮০ ডলারে। দীর্ঘ উত্তেজনার পর সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা দ্রুত দাম কমিয়ে দিয়েছেন।
বিশ্ববাজারে তেলের দামের এই বিশাল পতনের প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দেশে চলমান তেলের তীব্র সংকটের মধ্যে এই পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল হওয়ার বার্তায় এখন স্থানীয় ডিপোগুলো থেকে দ্রুত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পারলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে। পাম্পগুলোতে যে দীর্ঘ যানবাহনের সারি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বিশ্ববাজারের এই ইতিবাচক প্রভাব সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।







